Introduction to Ethical Hacking (ইথিক্যাল হ্যাকিংয়ের পরিচিতি)
হ্যাকার হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যিনি নিরাপত্তা/অনিরাপত্তার সাথে জড়িত এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বল দিক খুঁজে বের করায় বিশেষভাবে দক্ষ অথবা অন্য কম্পিউটার ব্যবস্থায় অবৈধ অনুপ্রবেশ করতে সক্ষম বা এর সম্পর্কে গভীর জ্ঞানের অধিকারী। সাধারনভাবে হ্যাকার শব্দটি কালো-টুপি হ্যাকার অর্থেই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় যারা মূলত ধ্বংসমূলক বা অপরাধমূলক কর্মকান্ড করে থাকেন। এছাড়া আরো নৈতিক হ্যাকার রয়েছেন (যারা সাধারনভাবে সাদা টুপি হ্যাকার নামে পরিচিত) এবং নৈতিকতা সম্পর্কে অপরিষ্কার হ্যাকার আছেন যাদের ধুসর টুপি হ্যাকার বলে। এদের মধ্যে পার্থক্য করার জন্য প্রায়শ Cracker শব্দটি ব্যবহার করা হয়, যা কম্পিউটার নিরাপত্তা হ্যাকার থেকে একাডেমিক বিষয়ের হ্যাকার থেকে আলাদা করার জন্য ব্যবহার করা হয় অথবা অসাধু হ্যাকার (কালো টুপি হ্যাকার) থেকে নৈতিক হ্যাকারের (সাদা টুপি হ্যাকার) পার্থক্য বুঝাতে ব্যবহৃত হয়। — উইকিপিডিয়া থেকে সংগৃহিত
* উপরে ৩ ধরনের হ্যাকার সম্পর্কে বলা হয়েছে। আপনাদের সুবিধার্থে নিচে খুলে বলা হলো।
১| সাদা টুপি হ্যাকার (White Hat Hacker)- এরা কম্পিউটার তথা সাইবার ওয়ার্ল্ডের নিরাপত্তা প্রদান করে। এরা কখনও অপরের ক্ষতি সাধন করে না।
২| ধূসর টুপি হ্যাকার (Grey Hat Hacker)- এরা এমন একধরনের হ্যাকার যারা সাদা টুপি ও কালো টুপিদের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থান করে। এরা ইচ্ছে করলে কারও ক্ষতি সাধনও করতে পারে আবার উপকারও করতে পারে।
৩| কালো টুপি হ্যাকার (Black Hat Hacker)- হ্যাকার বলতে সাধারনত কালো টুপি হ্যাকারদেরই বুঝায়। সাইবার ওয়ার্ল্ডে এরা সবসময়ই ঘৃনিত হয়ে থাকে।
* এছাড়াও আর কিছু হ্যাকার ধরন রয়েছে। যেমন :-
১| স্ক্রিপ্ট কিডি (Script Kidie)- এরা নিজেরা কিছুই পারে না বরং বিভিন্ন টুলস্ বা অন্যের বানানো স্ক্রিপ্ট ব্যবহার করে এরা কার্যোসিদ্ধি করে।
২| নিওফাইট বা নোব (Neophyte or nOOb)- এরা হ্যাকিং শিক্ষার্থী। এরা হ্যাকিং কেবল শিখছে। অন্য অর্থে এদের বিগিনার বা নিউবাই বলা যায়।
৩| নীল টুপি হ্যাকার (Blue Hat Hacker)- এরা আসলে হ্যাকিংয়ের সাথে তেমন জড়িত নয়। কোন সফটওয়ার বা সিস্টেম শুরু করার পূর্বে এরা ঐ সফটওয়ার বা সিস্টেমের খারাপ বা ক্ষতিকারক দিকগুলো যাচাই বাছাই করে তা শোধরানের চেষ্টা করে।
৪| হ্যাকটিভিস্ট (Hacktivist)- এরা মূলত কোন রাজনৈতিক ব্যাপার, ধর্ম, সোসাল এ্যাটাক ইত্যাদির সাথে জড়িত। তবে অধিকাংশ হ্যাকটিভিস্টরা মূলত ডস এ্যাটাক বা ডি-ডস এ্যাটাকের সাথেই জড়িত। ডস বা ডি-ডসের ব্যাপারে আপনারা পরে জানতে পারবেন।
- IP Tracking, Location Tracking (আইপি ট্র্যাকিং, অবস্থান ট্র্যাকিং)
ইন্টারনেট প্রটোকলের সাহায্যে যে কারও অবস্থান সম্পর্কে জানা যায়। আপনাকে যে কেউ যেকোনভাবে ইন্টারনেট ডিস্টার্ব করতে পারে অথবা হুমকিও দিতে পারে। প্রতারণা ও করতে পারে । এরই প্রেক্ষিতে আপনার জানার প্রয়োজন হতে পারে - সে কোথায় থাকে। আর তার অবস্থান বের করা এখন আপনার জন্য আর কোন ব্যাপারই না। নিচের পদ্ধতি অনুসরণ করলে আপনি তার বাড়ির দরজা পর্যন্ত গিয়ে হাজির হতে পারবেন।
আইপি কি?
কিছু আইপি নাম্বারের উদাহরণঃ
117.17.231.46
119.18.210.98
ইন্টারনেট প্রটোকল অ্যাড্রেসের প্রধান কাজ মূলত দুটি:
(১) হোস্ট অথবা নেটওয়ার্ক ইন্টারফেস সনাক্ত করা এবং
(২) অবস্থান খুজে বের করা।
স্টেপ ১- ওয়েবসাইটে যাওয়া
প্রথমে এই- http://shivampatel.net/trace/ সাইটটিতে যান।
স্টেপ ২- ইমেইল দিয়ে রেজিস্ট্রেশান করা
এন্টার ইউর ইমেইল এর জায়গায় আপনার ইমেইলটি লিখে এন্টার চাপুন।
স্টেপ ৩- ইমেইলের ইনবক্সে ঢুকুন
এইবার আপনি আপনার ইমেইল আইডির ইনবক্সে ঢুকুন। ঢুকলে একটি ইমেইল পাবেন
ইমেইলটিতে ক্লিক করলে দেখবেন
আপনি ট্র্যাকিং এর হাত থেকে বাঁচবেন যেভাবে -
*আল্ট্রাসার্ফ
https://www.ultrasurf.us (এটি গতি কমায় না-- এবং এফেক্টিভও। )
- এছাড়া ব্যাবহার করতে পারেন --
*হটস্পটশিল্ড
http://www.hotspotshield.com/en
*টানেলবিয়ার
*প্রাইভেটাইজ
- Recover Deleed File (ডিলিট হওয়া ফাইল পুনরুদ্ধার করুন)
কম্পিউটারের জন্য বহুল ব্যবহৃত কিছু রিকোভারি সফটওয়ারঃ
1. Disk Drill
2. EaseUS Data Recovery Wizard
3. Stellar Data Recovery
4. R-Studio Data Recovery Software
5. Recuva
6. PhotoRec
7. TestDisk
8. PC Inspector File Recovery
9. Wise Data Recovery
10. MiniTool Partition Wizard
মোবাইল ফোনের জন্য বহুল ব্যবহৃত কিছু রিকোভারি সফটওয়ারঃ
1. Recoverit Data Recovery
2. Cardrecovery
3. PhotoRec
4. Recover My Files
5. Recuva
6. Remo Recover
7. Undelete 360
8. Dr.fone for Android


0 Comments